সৌহার্দ্য সিরাজ
সৌহার্দ্য সিরাজ
জন্ম:- ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬৩ (প্রাতিষ্ঠানিক নয়)শিক্ষা,এমএ(বাংলা),এমএড,পেশা শিক্ষকতা।প্রকাশিত গ্রন্থ:- ৮ (৬টি কবিতার,১টি ইতিহাস গবেষণার,১টি নাটকের)।সম্পাদিত লিটলম্যাগ 'সৌম্য'।সম্পাদিত ওয়েবজিন 'উপমা'।প্রাপ্ত পুরস্কার দু'বাংলা থেকে একাধিক।
বয়সের চেয়ে বড়
মধ্যরাতে গোধূলির কথা তুলছো কেন
চাপা পড়া রোদের গান
বিষণ্ন বরসা,এসব অসময়ে কেন !
এখন দূরত্ব-রংয়ের আকাশ ঘেমে ক্লান্ত
ছত্রিশ বছরের ধুলোবালি জড়িয়ে রাস্তা এখনও ষোড়শী
এখনও পাতার কান্নায় স্বরলিপিই ভরসা
ফোনের দুপ্রান্তে দুজন ; কথক ও শ্রোতা
কথক কখনও কখনও শ্রোতা হয়ে যায়
কখনও কখনও শ্রোতাকেও কথক সাজতে হয়
এই মেলবন্ধই না লেখা সব খাতার হিসাবপত্র
আমি বাইরের পৃথিবীর দিকে তাকাই বেশি
চোখে প্রায়শই ঝুলে পড়ে ব্যর্থতা
গল্পের হাত পা আমার বয়সের চেয়ে বড় হলেও
মানিয়ে নিতে পারি
অনেকে বলছেন মুমূর্ষু আলোর শিয়রে দাঁড়িয়ে
শেষ বক্তব্যটা ঝেড়ে পিছিয়ে এসো,
অনেকে বলছেন কিছু কথা থাক না বাকি সংকলনের জন্য থাক
অনলাইন ফনলাইন কী হয় না হয়,ধৈর্য ধরো।
হাল ছাড়িনি;ছাড়ছি না
বিশ্বাস হারানো পাপ হলে ধৈর্য হারানোও পাপ
এই ভেবেই আছি
চোখ দুটো পাথর হয়ে যাবার আগে
সব করুণ মুখে এক চিলতে চাঁদের মতো হাসি
রঙিন মাছের মতো নবাগত শিশুদের
আভাসে প্রভাসে আরেক পৃথিবী দেখে যেতে চাই!
স্বর্ণলতার হাসি
আমার হাতের তালুতে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি গল্প
সে গল্পের মধ্যে কিছু আধমরা নদী সুহৃদ বৃক্ষ কথা বলছে।
বৃক্ষের কাঁধ ধরে গজিয়ে ওঠা মাধবীরাও
এক গ্লাস সুখের জন্য মুখিয়ে আছে।
গল্পটার মধ্যে কোনো ফাঁকা জায়গা নেই
গল্পটা উৎসর্গ করা রান্নাঘরের নামে
গুচ্ছ গুচ্ছ নক্ষত্ররা যখন ছায়াপথে বাজার করে
তখন হাতের তালুতে আমার স্বর্ণলতার হাসি শুরু হয়
মানুষ সুখে থাকলে কিছু লোকের অসুখ বাড়ে বৈকি
ব্যক্তিগত খাস খতিয়ান
ওর যখন ঘুম ভাঙে না
তখন আমি ওর শিয়রে দাঁড়িয়ে ছবি তুলি
সূর্যটা,সবুজ পাতারা
আরও যারা কাল বিবাদ ভুলে ঘুমিয়ে পড়েছিল
বাতাসের মৃদঙ্গে
দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তারাও ছবিটা দ্যাখে আর ভাবে
মানুষের কোলাহল আর রাজপথগুলো জীবনের
মৃত্যুহীন ঘ্রাণ নিয়ে বিলি কাটে শহরের চুলের ভাঁজে
খাস খতিয়ানের পাশ ধরে হেঁটে চলা ব্যক্তিগত সুন্দর
ভেঙেচুরে নতুন গড়ার আড়ালের খাতা
আশার হাত ধরে নিচের দিকে নামে


Comments
Post a Comment